আরও দেখুন
আজ বিটকয়েনের মূল্য নতুন মাসিক সর্বোচ্চ লেভেল $81,300-এ পৌঁছেছে, এবং ইথেরিয়ামের মূল্য $2,387-এ উঠে এসেছে।
বিটকয়েন ও ইথেরিয়ামের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি ডিজিটাল অ্যাসেট মার্কেটে একটি নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার সূচনার ইঙ্গিত হতে পারে, তবুও যেকোনো সময় এই ইতিবাচক প্রবণতা অকার্যকর হওয়ার আশংকা রয়েছে করে। এই হুমকি ক্রিপ্টো ইন্ডাস্ট্রির ভেতর থেকে নয়, বরং বাহ্যিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে উদ্ভূত হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত অপেক্ষাকৃত স্থিতিশীল মনে হওয়া মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে এখন তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যম সূত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় ব্যাপক পরিসরে সামরিক পদক্ষেপ শুরু করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
এই সম্ভাবনার ফলে মানবিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি ছাড়াও বৈশ্বিক ফিন্যান্সিয়াল মার্কেট গভীর প্রভাব পড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লে ট্রেডাররা সাধারণত তাদের বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে নিরাপদ বিনিয়োগের খ্যাতিসম্পন্ন স্থানান্তর করার পথ বেছে নেয়, যেমন প্রচলিত কারেন্সি বা সরকারি বন্ড। ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি সত্ত্বেও বিটকয়েন ও ইথেরিয়ামসহ অন্যান্য ডিজিটাল অ্যাসেটগুলো অনেকের কাছে এখনও ঝুঁকিপূর্ণ ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলস্বরূপ, সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের সময় ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেট থেকে মূলধন বেরিয়ে যেতে পারে, যার ফলে উল্লেখযোগ্য কারেকশন বা এমনকি দীর্ঘস্থায়ী নিম্নমুখী প্রবণতাও শুরু হতে পারে।
গ্লাসনোড ও স্যান্টিমেন্টের বিশ্লেষণাত্মক প্ল্যাটফর্মগুলোতে বিটকয়েনের স্বল্পমেয়াদী হোল্ডারদের মধ্যে তীব্রভাবে মুনাফা গ্রহণের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। এর মানে কিছু ট্রেডার যারা দ্রুত মুনাফা পেয়েছেন তারা বিপদের প্রাথমিক সংকেতেই পজিশন ক্লোজ যেতে প্রস্তুত—যা নেতিবাচক ভূ-রাজনৈতিক ঘটনার উদ্ভব হলে দরপতনকে দ্রুততর করতে পারে। তাই অভ্যন্তরীণ ইতিবাচক সংকেত থাকা সত্ত্বেও ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটের স্বল্পমেয়াদি ভবিষ্যৎ গভীরভাবে অনিশ্চিত, এবং সার্বিক পরিস্থিতি টেকনিক্যাল বা অর্থনৈতিক বিষয়ের তুলনায় মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলীর দ্বারা বেশি প্রভাবিত হবে।
ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটে দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি বিটকয়েন ও ইথেরিয়ামের উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের উপর নির্ভর করে ট্রেডিং চালিয়ে যাব, দীর্ঘমেয়াদে মার্কেটে আরও শক্তিশালী বুলিশ প্রবণতা বিকাশের প্রত্যাশা করছি, যা এখনও অটুট রয়েছে।
স্বল্পমেয়াদী ট্রেডিংয়ের কৌশল এবং শর্তাবলী নিচে দেয়া হল।
পরিকল্পনা #1: বিটকয়েনের মূল্য $81,100-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে $80,140-এর এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি এটি কিনব। মূল্য $81,100-এর লেভেলে কাছাকাছি পৌঁছালে আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং পুলব্যাকের ক্ষেত্রে অবিলম্বে শর্ট পজিশন ওপেন করব। গুরুত্বপূর্ণ! ব্রেকআউটের ক্ষেত্রে ক্রয় করার আগে, নিশ্চিত করুন যে 50-দিনের মুভিং এভারেজ বর্তমানে মূল্যের নিচে রয়েছে এবং অওসাম অসিলেটর পজিটিভ জোনে রয়েছে।
পরিকল্পনা #2: যদি $79,600 লেভেলের ব্রেকআউট হয়ে মূল্য নিম্নমুখী হওয়ার ক্ষেত্রে মার্কেটে কোন বিয়ারিশ প্রবণতা সৃষ্টি না হয়, তাহলে সেই লেভেলে থেকে বিটকয়েন কেনার আরেকটি সুযোগ পাওয়া যেতে পারে এবং মূল্যের $80,100 ও $81,100-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: বিটকয়েনের মূল্য $78,500-এর লেভেলে দরপতনের লক্ষ্যে $79,600-এর লেভেলে পৌঁছালে আমি এটি বিক্রি করব। মূল্য $78,500-এর লেভেলের কাছাকাছি পৌঁছালে আমি বিটকয়েনের শর্ট পজিশন ক্লোজ করব এবং পুলব্যাকের ক্ষেত্রে অবিলম্বে লং পজিশন ওপেন করব। গুরুত্বপূর্ণ! ব্রেকআউটের ক্ষেত্রে বিক্রির আগে নিশ্চিত করুন যে 50-দিনের মুভিং এভারেজ বর্তমানে মূল্যের উপরে রয়েছে এবং অওসাম অসিলেটর নেগেটিভ জোনে রয়েছে।
পরিকল্পনা #2: যদি $80,100 লেভেলের ব্রেকআউট হয়ে মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ক্ষেত্রে মার্কেটে কোন বুলিশ প্রবণতা সৃষ্টি না হয়, তাহলে সেই লেভেলে থেকে বিটকয়েন বিক্রির আরেকটি সুযোগ পাওয়া যেতে পারে এবং মূল্যের $79,600 ও $78,500-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: ইথেরিয়ামের মূল্য $2,402-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে $2,380-এর লেভেলে পৌঁছালে আমি এটি কিনব। মূল্য $2,402-এর লেভেলের কাছাকাছি পৌঁছালে আমি ইথেরিয়ামের লং পজিশন ক্লোজ করব এবং পুলব্যাকের ক্ষেত্রে শর্ট পজিশন ওপেন করব। গুরুত্বপূর্ণ! ব্রেকআউটের ক্ষেত্রে ক্রয় করার আগে, আমি নিশ্চিত করব যে 50-দিনের মুভিং এভারেজ বর্তমানে মূল্যের নিচে রয়েছে এবং অওসাম অসিলেটর পজিটিভ জোনে রয়েছে।
পরিকল্পনা #2: যদি $2,360 লেভেলের ব্রেকআউট হয়ে মূল্য নিম্নমুখী হওয়ার ক্ষেত্রে মার্কেটে কোনো বিয়ারিশ প্রবণতা সৃষ্টি না হয়, তাহলে সেই লেভেল থেকে ইথেরিয়াম কেনার আরেকটি সুযোগ পাওয়া যেতে পারে এবং মূল্যের $2,380 ও $2,402-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
পরিকল্পনা #1: ইথেরিয়ামের মূল্য $2,330-এর লেভেলে দরপতনের লক্ষ্যে $2,360-এর এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি ইথেরিয়াম বিক্রি করব। মূল্য $2,330 লেভেলের কাছাকাছি পৌঁছালে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করব এবং পুলব্যাকের ক্ষেত্রে অবিলম্বে লং পজিশন ওপেন করব। গুরুত্বপূর্ণ! ব্রেকআউটের ক্ষেত্রে বিক্রির আগে নিশ্চিত করুন যে 50-দিনের মুভিং এভারেজ বর্তমানে মূল্যের উপরে রয়েছে এবং অওসাম অসিলেটর নেগেটিভ জোনে রয়েছে।
পরিকল্পনা #2: যদি মূল্য $2,380-এর লেভেল ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ফলে মার্কেটে কোনো বুলিশ প্রবণতা সৃষ্টি না হয়, তাহলে সেই লেভেল থেকে ইথেরিয়াম বিক্রির আরেকটি সুযোগ পাওয়া যেতে পারে এবং $2,360 ও $2,330-এর দিকে দরপতনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।